ওয়ালটন ভেন্টিলেটর : বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দিচ্ছে আইসিটি বিভাগ

২৮ এপ্রিল, ২০২০ ১৬:৪৪  
অনুমোদন পেতে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে ওয়ালটনের তৈরি ৩ মডেলের স্বয়ংক্রিয় ভাবে পরিচালিত বহনযোগ্য ভেন্টিলেটরের প্রোটটাইপ হস্তান্তর করবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার পরেই জুলাই নাগাদ এটি উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হবে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) নাটোর থেকে ডিজিটাল ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়ে এই তথ্য জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এসময় দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশী ব্র্যান্ডের ভেন্টিলেটরটি জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি করোনা মহামারি খুব দ্রুতই শেষ হবে। কিন্তু মহামারি দীর্ঘ হলে আমরা দেশে তৈরি মানসম্মত ভেন্টিলেটরের দ্বারা চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হব। ইতোমধ্যে এটুআই ইনোভেশন ল্যাব থেকে ১৮টি ভেন্টিলেটর তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর মান যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। আইসিটি বিভাগের সচিব এনএম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী লিয়াকত আলী, ভেন্টিলেটর প্রকল্প প্রধান প্রকৌশলী গোলাম মোর্শেদ, মেডট্রনিক বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন তুহিন সুলতানা, এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি-আইটিইএস পলিসি অ্যডভাইজার সামি আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ওয়লটনের ভেন্টিলেটর প্রকল্প প্রধান প্রকৌশলী গোলাম মোর্শেদ জানান, ফাংশনাল প্রোটোটাইপের তিনটি ভেন্টিলেটরের মধ্যে একটি মেডট্রনিকের সাথে তৈরি করা হয়েছে। অন্য দুটি ওয়ালটনের নিজস্ব উদ্ভাবনী। মেডট্রনিকের সাথে তৈরিকৃত এ ভেন্টলেটরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘কোলাবরেটর ভেন্টিলেটর। আর ওয়লটনের নিজস্ব উদ্ভাবনে তৈরিকৃত ভেন্টিলেটরের নাম ‘ওয়ালটন কোভিড বিল্ড ভেন্টিলেটর ২০২০’ ও ডব্লিউএবি-২০’। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এর পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাবে ওয়ালটন। মোর্শেদ জানান, এফডিএ সার্টিফাইড এ ভেন্টিটেরটির যন্ত্রাংশের যোগান দিচ্ছে মেডট্রনিক। তারা পাঁচটি দেশের ৫টি কোম্পানীর সাথে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদনে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হয়। ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত এ ভেনিটলেটরের সংযোজন হবে ওয়ালটনের কারখানায়। এটা পেতে মে মাসের শেষ নাগাদ অপেক্ষা করতে হবে।